জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ড: লুটপাট বন্ধে নিউইয়র্কে কারফিউ জারি


কারফিউ

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেপোলিসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ৪০টিরও বেশি শহরে চলছে কারফিউ। এর মধ্যেও থেমে নেই প্রতিবাদ বিক্ষোভ।

ফ্লয়েডের মৃত্যুতে ফুঁসে ওঠা বিক্ষোভকারীরা পর টানা পাঁচদিন রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ দেখায় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলের লস অ্যাঞ্জেলস থেকে পূর্ব উপকূলের মিয়ামি, উত্তরের শিকাগো, নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে আসা বিক্ষোভকারীরা ফ্লয়েডের শেষ বলা কথা ‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না’-র প্রতিধ্বনি তুলে শ্লোগান দেয়।

প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ করে, লুটপাট, তারপর দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ জড়ায়। নিউইয়র্কসহ কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার ও ব্যাপক ধরপাকড় করে পুলিশ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যের ২৬টি শহরের বেশি কারফিউ জারি করা হয়। শহরগুলোর মধ্যে ডেট্রয়েট, বেভারলি হিলস, লস অ্যাঞ্জেলস, ডেনভার, মিয়ামি, আটলান্টা, শিকাগো, মিনিয়াপোলিস, ফিলাডেলফিয়া, কলম্বাস, সল্ট লেক সিটি, সিয়াটল উল্লেখযোগ্য।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোমবার রাত থেকে কারফিউ জারি করছেন নিউইয়র্ক রাজ্য গভর্নর এন্ড্রু ক্যুমো। আগের ৪ হাজার পুলিশ নিরাপত্তায় কাজ করলেও এবার আরও ৪ হাজার পুলিশ কাজ করবে জানান রাজ্য গভর্নর। কারফিউ চলবে সোমবার রাত ১১ টা থেকে মঙ্গলবার ভোর ৫ টা পর্যন্ত।

এদিকে নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র ডি ব্লাজিও গভর্নরের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সমর্থন করেন বলেও জানান।

ads