স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঝিনাইদহে চলছে গণপরিবহণ


ঝিনাইদহে

ঝিনাইদহ করোনা ভাইরাস রোধে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শুরু হয়েছে বাস চলাচল। সোমবার (১ জুন) সকাল থেকেই জেলা থেকে স্থানীয় ও দুরপাল্লার ছয়টি রুট বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। ঝিনাইদহ-ঢাকা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, খুলনাসহ স্থানীয় ও দুরপাল্লার ছয়টি সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাস চলছে।

সরেজমিনে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা, আরাপপুর, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত ভাড়া নিয়ে প্রতি দুই সিটে একজন যাত্রী যাতায়াত করছে। বাস ওঠার আগে করা হচ্ছে জীবানুনাশক স্প্রে। এদিকে ৬৬ দিনের লকডাউন শেষে সীমিত আকারে গণপরিবহণ চালু হওয়ায় খুশি বাসের শ্রমিকেরা।

জুয়েল আহমেদ নামে এক যাত্রী বলেন, চাকরির প্রয়োজনে আমাকে রাস্তায় বের হতে হয় নিয়মিত। গত কয়েক দিন মোটরসাইকেল করে অফিস করছি। ঝিনাইদহ থেকে যশোর এতটা পথ নিয়মিত বাইক জার্নি করা ক্লান্তিকর। আজ থেকে নিয়ম মেনে বাস চলাচল করায় বাসে করেই অফিস যাচ্ছি। তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রী হিসাবে ৫০টাকার ভাড়া ১০০টাকা দিয়ে যাচ্ছি, মূল ভাড়া ৬০টাকা। আমাদের মত নিদিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি ভাড়া অতিরিক্ত বোঝার মত। আজ প্রথম দিন নিয়ম মানার নজির দেখলাম এতো ভালো লাগছে। বাস যাত্রী সংখ্যা ৩০ জনের কম, প্রতি সিটে একজন। কি জানি না এরা কতদিন এ নিয়ম মানবে। আর আমরা যারা যাত্রী আমাদেরও নিয়ম মানতে হবে। তিনি বলেন, জীবনুর ঝুকি নিয়ে গাদাগাদী করে যানবাহনে কেউ উঠবেন না।

বাসশ্রমিক বাবলু রহমান বলেন, সীমিত পরিসরে হলেও সরকার গণপরিবহণ চালু করেছে। এতে আমরা খুশি। আয় বেশি না হলেও খেয়ে তো বাঁচতে পারবো।

আরেক শ্রমিক হাসান মিয়া বলেন, সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে তা মেনেই বাস চালানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে যাত্রীদের চাপে সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করায় অনেক যাত্রী অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

ads